সরকার জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে না কেন? প্রশ্ন গয়েশ্বরের

জামায়াত যদি দেশের গণতন্ত্রের পরিপন্থী হয় তাহলে সরকার জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে না কেন? এমন প্রশ্ন তুলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, এটা শুধুমাত্র তাদের একটা রাজনৈতিক ইস্যু। পার্শ্ববর্তী দেশেও জামায়াত আছে। তারাও নিষিদ্ধ করে না। আওয়ামী লীগও শুধু মুখে জামায়াত, জামায়াত বলে। এটা একটা ভুয়া কথা।

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। নাগরিক অধিকার ফোরামের আয়োজনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, এই যে তত্বাবধায়ক সরকার ফর্মুলা জাতীয় সংসদে সর্বপ্রথম জামায়াতে ইসলামীর ১৮ জন সংসদ সদস্য বিল উত্থাপন করলো। আওয়ামী লীগ প্রথম দিকে তাতে সমর্থন না দিলেও পরে জাতীয় পার্টির মওদুদ আহমদ, কাজী জাফর ও আওয়ামী লীগ এতে সমর্থন দেন এবং আন্দোলন করেন।

তিনি বলেন, আজকে আমাদের বিশাল সেনাবাহিনী আছে, বর্ডার গার্ড আছে। প্রতিদিন সীমান্তে গুলির শব্দ আসে একপাশ থেকে। আমাদের দিক থেকে গুলি করা হয় না। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা গুলি ছুড়বো না। তাহলে আমরা বিদেশ থেকে এতো অস্ত্র কিনি কেন? আমাদের নাগরিকদের মারছে, বর্ডার কিলিং হচ্ছে কিন্তু কোনো প্রতিবাদ নেই। এখন আমাদের যে সীমানা আছে সেখানে তো গার্ড থাকার দরকার নেই। কয়েকজন চৌকিদার হারিকেন নিয়া দাঁড়িয়ে থাকলেই পারেন। তারা দেশের ভেতরে ঢুকে যাকে খুশি তাকে ধরে নিয়ে যেতে পারে, গুলি করে হত্যা করতে পারে তবে আজকে আধুনিক সমরাস্ত্র দিয়ে আমরা কি করি?

গয়েশ্বর বলেন, মেজর সিনহা হত্যা হলো, পুরো দেশে প্রতিবাদ হলো। ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী প্রধান আর পুলিশ প্রধান গেলো, আসামিরাও গ্রেপ্তার হলো। একটু খবর নিয়ে দেখেন আসামিরা এখন জেলখানায় আছে কিনা?

নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরামের উপদেষ্টা সাঈদ আহমেদ আসলামের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য দেন- বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরী, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আহসান হাবিব লিংকন প্রমুখ।

সরকার জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে না কেন?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *